1. admin@dailyalokitoprovat.com : admin :
শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সয়াবিনের বাম্পার ফলন হওয়ার পরেও, কৃষকের মাথায় হাত। তালতলীতে নৌকা মার্কার প্রার্থী সংবাদ সম্মেলন। একটি দৃষ্টি নন্দন সৌন্দর্যময় বিনোদন কেন্দ্র, কল্পনা পিকনিক স্পট। ঝালকাঠি জেলা কৃষকদলের কমিটি গঠন। নেত্রকোণায় সরকারি জীবন বীমা কর্পোরেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কেশবপুরের মঙ্গলকোটে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন। কেশবপুরে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমাবেশ। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২২ উপলক্ষে ঝালকাঠিতে সাংবাদিকদের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত। মানবেতর জীবন যাপন করছেন ঠাকুরগাঁওয়ের একতা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের শিক্ষক কর্মচারীরা। বগুড়ায় র‌্যাবের অভিযানে কাহালুতে নকল স্বর্ণের মূর্তিসহ আটক ২।

অপচিকিৎসায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় পশু চিকিৎসক গ্রেপ্তার।

দৈনিক আলোকিত প্রভাত
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৬ মে, ২০২২
  • ১১১ বার পঠিত

রিপন কান্তি গুণ,নেত্রকোনা,বারহাট্টা প্রতিনিধি।

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার চন্দ্রপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের হাইছ উদ্দিনের মেয়ে প্রসূতি শরিফা আক্তার (১৯) ও তার নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত পশুচিকিৎসক আবুল কাশেমক (৪৮)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

(৫ই মে) বৃহস্পতিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আজ (৬ই মে) শুক্রবার দুপুরে তাকে নেত্রকোণা আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার আবুল কাশেম বারহাট্টা উপজেলার জীবনপুর গ্রামের বাসিন্দা।

বারহাট্টা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান,অস্ত্রোপচারে মারা যাওয়া প্রসূতির স্বামী মহসিন মিয়া বাদী হয়ে পশু চিকিৎসক আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলার কারণে মৃত্যুর অভিযোগ এনে থানায় মামলা করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত প্রসূতি শরিফা আক্তার চন্দ্রপুর গ্রামের প্রতিবন্ধী হাইছ উদ্দিনের মেয়ে। গতবছর সুনামগঞ্জের তাহেরপুর এলাকায় মহসিন মিয়া নামের এক যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। প্রসবের সময়কাল নিকটবর্তী হওয়ায় নিরাপদ ডেলিভারির জন্য তিনি গত সপ্তাহে বাবার বাড়িতে আসেন। (৪ঠা মে) বুধবার প্রসব ব্যথা শুরু হলে পরিবারের লোকজন পশু চিকিৎসক আবুল কাশেমকে খবর দেন। চিকিৎসক আবুল কাশেম তাদের বাড়িতে এসে নিজেই শরীফার জরায়ু সামান্য কেটে সন্তান প্রসব করান। একটি ছেলে সন্তানের জন্মও হয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই মারা যায় শরিফা ও তার নবজাতক ছেলে শিশুটি। তখন স্থানীয়রা পশু চিকিৎসক আবুল কাশেমের ওপর চড়াও হলে তিনি কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পশু চিকিৎসক আবুল কাশেম বলেন, আমি প্রসূতিকে ইনজেকশন ও স্যালাইন দেই এবং অস্ত্রোপচার করে বাচ্চা বের করি। সন্তান প্রসবের পর ওষুধ আনতে লোক পাঠানো হয়েছিল। দূরের পথ,ওষুধ ও সেলাইয়ের সরঞ্জাম আনতে দেরি হওয়ার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।

মৃত শরিফার স্বামী মহসিন মিয়ার অভিযোগ,অস্ত্রোপচারের ব্যাপারে ওই হাতুড়ে চিকিৎসকের প্রস্তুতি ছিল না। পরে ওষুধ আনতে দেরি হওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শরিফা মারা যান।

অপচিকিৎসায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মুস্তাফিজুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মাজহারুল ইসলাম।

অপচিকিৎসায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ লুৎফুল হক বলেন,ঘটনা শোনার পর ওইদিন রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার রাতে শরিফার স্বামী মহসিন মিয়া বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পরে রাতেই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার (৬ মে) তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক কাজি আবদুর রহমান বলেন, ঘটনাটির সত্যতা জানতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে শনিবারের (৭ মে) মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা