সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৩:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Logo রাজাপুরে’র নৈকাঠিতে পুলিশ সদস্য ও খাদ্য গুদাম কর্মকতা সহ ৯ জুয়ারি আটক। Logo দুরন্ত শৈশব। Logo চরকাউয়া খেয়াঘাটে সমিতির নামে চলছে স্বেচ্ছাচারিতা ও বেআইনিভাবে অর্থ আদায়। Logo কাহালু জামগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত। Logo ছাত্রলীগ নেতা নয়ন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার- ১। Logo নেত্রকোণা সদরে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বাজার তদারকি কার্যক্রম। Logo ছাত্রলীগ নেতা হত্যা, যুবলীগ নেতাসহ ৩৫ জনের নামে মামলা। Logo করোনার সংক্রমন প্রতিরোধে বারহাট্টায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা। Logo বরগুনা তালতলীর “শুভ সন্ধ্যা” সমুদ্র সৈকতের ঝাউবনে দশম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষন অতঃপর বিয়ে। Logo বরিশাল মহানগর আড়ৎদার ফল ব‍্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত

অবৈধ কারেন্ট জাল বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বরিশাল নৌ পুলিশের হাতাহাতি ঘটনায় তদন্ত শুরু

দৈনিক আলোকিত প্রভাত / ৭৯ বার পঠিত
আপডেট সময় : সোমবার, ১৬ আগস্ট, ২০২১, ৮:১৩ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ-
অবৈধ জাল বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বরিশাল সদর নৌ থানা পুলিশের দুই সদস্যের হাতাহাতির ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। বরিশাল অঞ্চলের নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়ে ঘটনার প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। নৌপুলিশ বরিশালের এসপি কফিল উদ্দিন ১৬ আগস্ট সোমবার বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, গত ১০ আগস্ট ট্রলারযোগে নৌ থানা পুলিশের একটি টিম কীর্তনখোলা নদীতে নামে। এএসআই শাহ আলমের নেতৃত্বে টিমটি কিছুটা পথ অতিক্রম করে সদর উপজেলার পামেরহাট নামক এলাকায় পৌছলে ট্রলারের অভ্যন্তরে হাতাহাতি-মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে নৌ পুলিশ কনস্টেবল হায়দার ও তারিকুল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অভিযান সেখানেই গুটিয়ে থানায় ফিরে আসে টিমটি।

এই ঘটনাটি কয়েকদিন লুকোচাপা থাকলেও সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে একপর্যায়ে বেড়িয়ে আসে এবং এনিয়ে সংবাদ প্রকাশ পেলে তা পুলিশ সুপারের নজর কাড়ে।

বেশ কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করে ১০ আগস্টের পুর্বে দুটি অভিযানে অংশ নেয় নৌপুলিশ। সেই অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল উদ্ধার হলে কিছু অংশ পুড়িয়ে বাদবাকি মাঝিদের দিয়ে দেওয়া হয়। এবং বিনিময়ে মাঝিদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হলে সেই টাকা ভাগাভাগি নিয়ে পুলিশ কনস্টেবল হায়দার ও তরিকুল বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে।

সেই দিন ট্রলারে দায়িত্ব পালনকারী মাঝি কালাম এই তথ্য নিশ্চিত করলেও অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া পুলিশ কর্মকর্তা শাহ আলম প্রথমে পুরো ঘটনা অস্বীকার করেছেন। যদিও শেষে তিনি জানিয়েছেন, ওই দিন কাগজে কলমে তার ডিউটি থাকলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে অংশ না নিতে পারেননি। পরবর্তীতে তরিকুল ও হায়দারসহ ৬ পুলিশ সদস্যকে নিয়ে এএসআই আশরাফ নদীতে যান।

থানা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, মাঝ নদীতে হাতাহাতি-মারামারি পরে অভিযান গুটিয়ে তাদের থানায় নিয়ে আসলে সেখানে হায়দার ও তরিকুলের মধ্যে আরেক দফা সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দেয়। তখন অপরাপর পুলিশ সদস্যরা তা নিয়ন্ত্রণ করে।

এই বিষয়ে নৌ পুলিশ বরিশালের এসপি কফিল উদ্দিনের ভাষ্য হচ্ছে, পুলিশ সদস্যরা অভিযানে গিয়ে মারামারিতে জড়ানো মারাত্মক অপরাধমূলক কাজ। পত্রিকার সংবাদগুলো নজরে আসার পরে বিষয়টি অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD