1. admin@dailyalokitoprovat.com : admin :
শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সয়াবিনের বাম্পার ফলন হওয়ার পরেও, কৃষকের মাথায় হাত। তালতলীতে নৌকা মার্কার প্রার্থী সংবাদ সম্মেলন। একটি দৃষ্টি নন্দন সৌন্দর্যময় বিনোদন কেন্দ্র, কল্পনা পিকনিক স্পট। ঝালকাঠি জেলা কৃষকদলের কমিটি গঠন। নেত্রকোণায় সরকারি জীবন বীমা কর্পোরেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কেশবপুরের মঙ্গলকোটে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন। কেশবপুরে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমাবেশ। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২২ উপলক্ষে ঝালকাঠিতে সাংবাদিকদের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত। মানবেতর জীবন যাপন করছেন ঠাকুরগাঁওয়ের একতা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের শিক্ষক কর্মচারীরা। বগুড়ায় র‌্যাবের অভিযানে কাহালুতে নকল স্বর্ণের মূর্তিসহ আটক ২।

অব্যবস্থাপনায় চলছে বরগুনা সদর হাসপাতাল।

দৈনিক আলোকিত প্রভাত
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১১ মে, ২০২২
  • ৫৪ বার পঠিত

ইত্তিজা হাসান মনির,বরগুনা প্রতিনিধি।
দুপুর বারোটা শতশত লোক হাসপাতালের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। রোড এক্সিডেন্টে একজন লোক মারা গিয়েছে, তার স্বজনরা বারান্দায় বসে কাঁদছে, পাশেই তত্ত্বাবধায়ক জনাব ডাক্তার সোহরাব হোসেনের বসার স্থানে বড় ধরনের তালাবদ্ধ। সামনে ঔষধ বিলি করার কাউন্টার বন্ধ। দু-একজন কর্মকর্তা-কর্মচারী রুমের ভিতর বসে কম্পিউটার চালাচ্ছে। চলে গেলাম বরগুনার ফার্মেসি পট্টি ডাক্তার সোহরাব হোসেনের চেম্বারে। রোগী তার সামনের রুমে বসা,সিরিয়াল অনুযায়ী একজন করে ভিতরে ডাকছে, ভিজিট নিয়ে রোগী দেখছে। একজন রোগী বলল আমি হাসপাতালে গিয়েছিলাম আমাকে একটি কার্ড দিয়েছে চেম্বার এ আসার জন্য বলা হয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা বরগুনা। হাসপাতালটি ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট করা হয়েছে। দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য সেবার জন্য বরগুনা সদর হাসপাতালটি একমাত্র ভরসা। এই হাসপাতালে ডাক্তারদের সেবা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়েছে।

পৌর কাউন্সেলর জাহিদুল ইসলাম জানান, বরগুনা সদর জেনারেল হাসপাতালে অবস্থা দেখে অবাক হয়ে গেলাম এই হাসপাতালে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ করে সরকার কিন্তু আজ রাত তিনটার দিকে রোগী নিয়ে আসি অনেকক্ষণ পরে দায়িত্বরত ডাক্তার রোগী দেখতে আসেন। কিন্তু কোন প্রকার ঔষধ দিয়ে সহযোগিতা করেন নাই। জিজ্ঞেস করলে বলেন ঔষধ নেই ফার্মেসি দিয়ে নিয়ে আসে। ঐ রাতে ফার্মেসি খুলিয়ে ঔষধ আনতে ২ ঘন্টা সময় লেগে যায়। এই হলো একজন কাউন্সেলরের বেলায়। গ্রাম থেকে আসলে সেই রোগীদের অবস্থা ও মূল্যায়ন কতটুকু হয় প্রশ্ন আপনাদের কাছে । ডাক্তার দায়িত্বে ছিলেন মামুন সাহেব সে নিজেই বলেন কোন ঔষধ নেই।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে দীর্ঘদিনের অনিয়ম স্থাপনা এখন জনগণকে ভাবিয়ে তুলছে। মনে হচ্ছে এখন এই বিষয়টি দেখার জন্য বরগুনায় কেউ নেই। এই হাসপাতালে আবাসিক ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ, ডাক্তার ও নার্সদের সংকট এখন চরমে উঠেছে। জেলা শহরের এই হাসপাতালটি ছিল জনগণের একমাত্র আশা ভরসা। এখন সেখানে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে জনস্বার্থ ব্যাহত হচ্ছে। রোগীদের জীবন বিপন্ন হওয়ার একটা কেন্দ্র হিসেবে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও কোনো কাজ হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন,বরগুনা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ সোহরাব সাহেব সকাল,দুপুর ও বিকালে নিজের চেম্বারে রোগী নিয়ে ব্যাস্ত থাকেন হাসপাতালে রোগী গেলে চেম্বারে পাঠিয়ে দেন এ অবস্থার পরিবর্তন না হলে বরগুনার হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যসেবা এভাবেই চলবে।

এ ব্যাপারে বরগুনা সদর হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার সোহরাব হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, হাসপাতালটিতে যে পরিমাণ পরিচ্ছন্নতাকর্মী থাকার কথা সেই পরিমান পরিচ্ছন্নতাকর্মী নেই অনেক কর্মী আছে যাহারা আমার কথা শুনে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা