সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Logo আসছে মজুমদার ফিল্মস’র এক সমুদ্র ভালোবাসা। Logo কুয়াকাটার মাদ্রাসার ছাত্রীকে উত্যক্ত করা, দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। Logo মহিপুরের ওসি’র মহানুভবতায় পথ হারানো শিশু সুমাইয়া আক্তার (০৭) খুঁজে পেল তার পরিবার। Logo কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ নেতৃত্বে আসছেন সোহানুর রহমান সুমন Logo টোল পুনর্নির্ধারণ না করেই উদ্বোধন হলো পায়রা সেতু পায়রা সেতুতে ফেরির ৭ গুণ টোল পরিবহন ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ। Logo বনশ্রী থেকে কথিত মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যানকে অস্ত্রসহ আটক। Logo বরিশালে নগরীর ভাটারখালের আলোচিত মামলার আসামী সুমন জেল হাজতে Logo মহাসড়কে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মা ও শিশু নিহত। Logo এসএসসি ০২ ব্যাচ বাংলাদেশ গ্রুপের বর্ষপূর্তিতে বর্নাট্য আয়োজন। Logo ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ইউএনও’ মতবিনিময়।

আবারো আলোচনায় গৌরনদীর সুইজ হাসপাতাল

দৈনিক আলোকিত প্রভাত / ৪৪ বার পঠিত
আপডেট সময় : রবিবার, ১৮ জুলাই, ২০২১, ৮:২৪ অপরাহ্ণ

গৌরনদী প্রতিনিধি :: দয়িত্বে অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার ফলে গর্ভের শিশুকে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে একটি বেসরকারী হাসপাতালের বিরুদ্ধে। এমনকি মিথ্যা আশ^াস ও প্রতারনা করে প্রসুতি নারীর কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ারও অভিযোগ রয়েছে ওই হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

তাছাড়া রোগীর স্বামীর কাছ থেকে জোরপুর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়ারও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী স্বামী।

ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বেজগাতি সুইজ হাসপাতালের। এখানে হরহামেসাই শিশু হত্যার মত চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটিয়ে মানুষ মারার কারখানা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন এই সুইজ হাসপাতাল।

গত (২৫ জুন) শুক্রবার আরও একটি শিশু মৃত্যুর খবর দিয়ে আবারও আলোচনায় নাম লেখালেন সেই আলোচিত সুইজ হাসপাতাল। ঘটনাটি কয়েকদিন আগের হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জিম্মি থাকায় এত দিন মুখ খুলতে পারেন নি ভুক্তভোগী রোগীর পরিবারটি।

জানা গেছে, গত শুক্রবার উপজেলার ধানডোবা গ্রামের বাসিন্দা সবুজ ভ’ইয়ার স্ত্রী ফরিদা বেগমের প্রসব ব্যথা উঠলে সুইজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার স্বজনরা। হাসপাতালে আসলে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে দায়িত্বরত থাকা ডাঃ (ডিএমএফ) শফিকুল ইসলাম নিজেই আলট্রাসনোগ্রামসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে গর্ভের বাচ্চা ও মা দু’জনই সুস্থ আছেন মর্মে জানান। এবং আগামী ২ সপ্তাহ পরে বাচ্চা প্রসবের সময় হবে বলে ব্যাথা উপশমের জন্য স্যালাইন ও প্রয়োগ করেন ডাঃ শফিক। এমতাবস্থায় ফরিদা বেগমের ব্যাথা আরও বেড়ে যাওয়ায় স্যালাইনে একটি ইনজেকশন পুশ করান এই ডিএমএফ ডাঃ শফিক। এবং ফরিদাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

রবিবার (৪ জুন) হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে ফরিদার শাশুড়ী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ইনজেকশন পুশ করার কিছুক্ষণ পড়ে ফরিদার ব্যাথা আরো বেড়ে যায়। এই অবস্থায় আমি একা মহিলা কোন উপায় না পেয়ে অসহায়ের মত বারবার ছুটে যাই নার্সদের কাছে। কিন্তুএত রাত্রে ডাক্তারকে ডাকা যাবেনা তাহলে ডাক্তার রাগ করবেন বলে জানায় নার্স। নার্সের এরকম আচরণে সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে পেটের ভিতর মারা যায় ফরিদা আমার ছেলের সন্তান।

এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর স্বজনদের প্রতি উল্টো অভিযোগ এনে জানান, রোগীর স্বজনরা হাসপাতালের বিল পরিশোধের না করার জন্য মিথ্যা একটি ঘটনা সাজিয়েছে।

কিন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন বক্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে দাবী করেছেন ভুক্তভোগী রোগীর স্বজনরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD