মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Logo বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের লেবুখালীতে নির্মিত পায়রা সেতু পরিদর্শণ। Logo বাংলাদেশের কোন জলাশয় অব্যবহৃত থাকবেনা, কলাপাড়ায় মৎস্যমন্ত্রী। Logo কলাপাড়ায় বড় মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে : আগামী সপ্তাহে তদন্ত প্রতিবেদন। Logo বরগুনায় আত্মপ্রকাশ হলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার বরগুনা জেলা কমিটি। Logo মাদক বিক্রির অভিযোগ প্রতিবাদ করায় যুবকে মারধোর। Logo সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম আর আমাদের মাঝে বেঁচে নেই। Logo ঝালকাঠিতে সত্তরার্ধ স্বামীহারা বৃদ্ধাকে ইউএনও’র খাদ্য, বস্ত্র সহায়তা। Logo বরিশালের হিজলায় জন্ম নিবন্ধনে নির্ধারিত ফি থেকে কয়েকগুণ বেশি টাকা নেয়ার অভিযোগ । Logo বাকেরগঞ্জে রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাথে অপরাজিতাদের মতবিনিময় সভা। Logo তালতলীতে সাংবাদিকের উপরে হামলা,থানায় মামলা।

উন্নয়নের ছোঁয়ায় অনেকটাই পাল্টে গেছে ভীমরুলী গ্রাম, তবুও হাসি নেই চাষীদের মুখে।

দৈনিক আলোকিত প্রভাত / ৭৬ বার পঠিত
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট, ২০২১, ১০:২২ পূর্বাহ্ণ

সৈকত বাড়ৈ, নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ-
এশিয়া মহাদেশের সব চেয়ে বড় ভাসমান পেয়ারা বাজার খ্যাত ঝালকাঠির ভীমরুলি। এই বাজারটি দিন দিন দেশের মানুষের কাছে ভাসমান বাজার হিসেবে জনপ্রিয় হওয়ায় বাড়ছে দর্শনার্থীদের সংখ্যা। উন্নয়ন হয়েছে ভীমরুলি গ্রামের অনেক রাস্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার। এক সময়ের অজোপাড়া গাঁয়ের মাটির রাস্তা এখন অনেক জায়গায় প্রসস্থ সড়ক পথ। শুধুমাত্র নৌ-পথ কেন্দ্রীক সেই ভীমরুলিতে এখন চলাচল করে মহাসড়কের ছোট পিকআপসহ নানা যানবাহন।তবে কিছু জরুরি রাস্তায় এখনো কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। যেমন ভীমরুলি বাজার থেকে কুড়িয়ানা বাজারে যাওয়ার রাস্তার অনেকটাই এখনো খানা-খন্দে ভরা, রয়েছে কিছু ভাঙ্গা কালভার্ট। যে রাস্তাটি দিয়ে ভীমরুলির হাজারো মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে। এমনকি শতাধিক স্কুল-কলেজ পড়ূয়া ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের পথ এটা। তাই রাস্তাটি দিয়ে যাতায়াতের সময় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারন জনগন সহ স্কুল-কলেজ পড়ূয়া ছাত্র ছাত্রীদের।
অন্যদিকে পর্যটকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ব্যক্তিগত উদ্যোগে পেয়ারা বাগানের মধ্যেই গড়ে উঠেছে ছোট ছোট অনেক মিনিপার্ক। তবুও হাসি নেই চাষীদের মুখে। করোনার কারনে পেয়ারার সঠিক দাম না পাওয়ায় ও প্রকৃত চাষীরা কোন স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণ না পাওয়ায় স্থানীয়ভাবে সমবায় সমিতি বা এনজিও থেকে উচ্চসুদের ঋণ মেটাতেই মুছে যায় মুখের হাসিটুকু। তাই যদি অত্র এলাকার অনুন্নত সড়ক গুলোকে চলাচলের উপযোগী করা যায় ও প্রকৃত চাষীদের মধ্যে সরকারিভাবে কোন সল্প সুদে ঋনের ব্যবস্থা করা হয় এবং চাষীরা যদি পেয়ারার সঠিক মূল্য পায়, তাহলে চাষীদের মুখে হাসি ফুটতে পারে বলে জানান ভীমরুলির প্রকৃত পেয়ারা চাষী সহ সর্বস্তরের জনগন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD