শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Logo কৃষকের আঙিনায় সোনালি স্বপ্ন। Logo বিএমএসএফ হবে প্রকৃতই সাংবাদিকবান্ধব সংগঠনে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। Logo নেতার সার্থকতা হয় তার কর্মে”। Logo ১২০ জনকে স্কুল ব্যাগ বিতরণ করেন কোডেকে এনজিও। Logo সিংড়ায় নৌকার মাঝি নাছিরের উঠান বৈঠক। Logo এইচ.এস.সি পরীক্ষা ২০২১ উপলক্ষে বারহাট্টা সরকারি কলেজে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। Logo চাকুরী দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অসহায় মানুষদের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক পারভেজ। Logo বরিশালে পল্লিবিদ্যুতের খুটি ও সড়ক ও জনপদের পিলার দিয়ে দোকান ও পুকুর ঘাট নির্মাণ। Logo কাহালুতে খাদ্য গুদামে আমন ধান, চাল সংগ্রহের উদ্বোধন। Logo আসন্ন বাকেরগঞ্জ নিয়ামতি ইউনিয়ন নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত।

এক যুগের আইনি লড়াই শেষে স্বপদে ফিরলেন অধ্যক্ষ।

দৈনিক আলোকিত প্রভাত / ৬৭ বার পঠিত
আপডেট সময় : সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১, ৫:২৭ অপরাহ্ণ

কনিকা আক্তার, শ্রীপুর(গাজীপুর)প্রতিনিধি।
গাজীপুরের শ্রীপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. তোফাজ্জল হোসেন আকন্দ (বর্তমানে শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজ) তাঁর অধ্যক্ষ পদ ফিরে পেতে নিন্ম আদালতে দায়ের করা মামলায় দীর্ঘ ১১ বছর পর পক্ষে রায় পেয়েছেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর আদালত তার পক্ষে ওই রায় দেন। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবি এএএম আমানুল্লাহ ফরিদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, ওই রায়ের বিরুদ্ধে বিবাদী পক্ষ তথা কলেজের পক্ষ থেকে গাজীপুর জেলা জজ আদালতে একটি আপীল মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে। ফলে উচ্চ আদালত আপীলের বিষয়টি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত নিন্ম আদালতের রায়টি অকার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছেন বিবাদীপক্ষের আইনজীবি এমদাদুল হক মাসুম।

মামলার বাদী মো. তোফাজ্জল হোসেন আকন্দের আইনজীবি এএএম আমানুল্লাহ ফরিদ মুঠোফোনে জানান, গাজীপুর আদালতে অধ্যক্ষ মো. তোফাজ্জল হোসেন আখন্দের দায়ের করা দেওয়ানী মোকাদ্দমা (নং ২৩০/২০১০) এর আইনী লড়াইয় শেষে প্রায় ১১ বছর পর গাজীপুরের ৫ম সিনিয়র জজ আদালত থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর স্বপদে বহাল মর্মে রায় পান।

মামলার বিবাদী পক্ষের আইনজীবি মো. এমদাদুল হক মাছুম বলেন, মামলার বাদী মো. তোফাজ্জল হোসেন আকন্দ অধ্যক্ষ থাকাকালীন ২০০৯ এর ২৮ মার্চ কলেজ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের ১৪ মাস পর ২০১০ সালের ৩ মে তার চাকরি ফিরে পেতে গাজীপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন।

রায়ের ব্যাপারে বিবাদী পক্ষের আইনজীবি আরো বলেন, যেহেতু মামলাটি সরকার বাদী সেহেতু নিন্ম আদালত রায় দিলেও আদালতের পিপি (সরকারি কৌঁসুলী) এর মতামত নেওয়ার প্রয়োজন।

এসব কিছুর আগেই ওই রায়ের বিরুদ্ধে রোববার (১৭ অক্টোবর) গাজীপুর জেলা জজ আদালতে সরকার পক্ষ তথা কলেজ পক্ষ থেকে আপীল করা হয়েছে। আপিলের কপি শিক্ষা অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। আদালত পরবর্তী আদেশের জন্য তা আমলে নিয়েছেন।

শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজের সভাপতি ও শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তরিকুল ইসলাম বলেন, রায়ের কপি এবং আপীলের কপি দুটোই আমার হাতে এসেছে। ওই শিক্ষকের যোগদানের বিষয়ে শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে কোনো অফিসিয়াল নির্দেশনা পাইনি। এ বিষয়ে আইন কী বলে তা যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD