1. admin@dailyalokitoprovat.com : admin :
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ১০:৩২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কেশবপুরে কসাইয়ের ছুরিকাঘাতে পত্রিকা হকার গুরুতর আহত। কাহালুু উপজেলা মুরইল ইউনিয়ন তাঁতীলীগের এি- বাষিক সন্মেলন অনুষ্টিত। যশোরের কেশবপুরে উৎসবমূখর ও শান্তিপূর্ন পরিবেশে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। হিজলায় পিতৃপরিচয়ের ভয়ে গর্ভের সন্তানকে হত্যা। বরগুনা’য় মাদক দিয়ে ধরিয়ে দেয়ার অপরাধে এলাকা বাসী ও ভূক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মুকুল বোসের প্রয়ানে শোক। যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী বিচারপতি কেতানিজ ব্রাউন জ্যাকসন শপথ গ্রহণ। ভারতে ভূমিধসে মৃত্যু বেড়ে ৮১, নিখোঁজ অনেকে জুনে ধর্ষণের শিকার ৭৬ বাকেরগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার।

কেশবপুরে প্রবীণ পত্রিকা পরিবেশক অনিল মোদকের মৃত্যুতে প্রেসক্লাবে শোকসভা।

দৈনিক আলোকিত প্রভাত
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২২ জুন, ২০২২
  • ১৭ বার পঠিত

পরেশ দেবনাথ,কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি।

কেশবপুরের প্রথম পত্রিকা পরিবেশক ও ‘নিউজ এজেন্ট’-এর স্বত্বাধিকারী অনিল মোদক প্রয়াত হওয়ায় মঙ্গলবার (২১ জুন) বিকেলে কেশবপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে সংগঠনের হলরুমে এক শোকসভার আয়োজন করা হয়।

কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ্জ-জামান খান-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী-এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন,প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দিকী, কবি মুহম্মদ শফি, সহ-সভাপতি মোল্যা আব্দুস সাত্তার, আব্দুল হাই সিদ্দিকী,সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসাইন, নির্বাহী সদস্য নূরুল ইসলাম খান,সদস্য অধ্যাপক মছিহুর রহমান,প্রয়াত অনিল মোদক-এর বড় ছেলে,দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার কেশবপুর উপজেলা সাংবাদিক দিলীপ মোদক ও সদস্য পরেশ দেবনাথ।

উল্লেখ্য,কেশবপুরের প্রথম পত্রিকার পরিবেশক প্রয়াত অনিল মোদক (৮২) গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বিগত ৬০ বছর ধরে বিভিন্ন পত্রিকার এজেন্সি হিসাবে সুনামের সাথে পরিচালনা করে গেছেন।

মৃত্যুর পর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক এবং সমবেদনা জানাতে গিয়েছিলেন,কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ্জ-জামান খান,সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্তীসহ সকল সদস্যবৃন্দ। কেশবপুর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়। এছাড়া কেশবপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক এবং সমবেদনা জ্ঞাপন অব্যাহত রেখেছেন।
বক্তারা বলেন,তিনি ছিলেন একজন সাদা মনের মানুষ, সদা হাস্যোজ্জ্বল, অত্যন্ত কর্মঠ,পরিশ্রমী ও সৎ মানুষ। অধিকাংশ সাংবাদিকেরা তাঁর নিউজ এজেন্ট হাউজে প্রতিনিয়ত ভিড় করতেন তাতে তিনি বিরক্তবোধের পরিবর্তে আনন্দ বোধ করতেন। কেশবপুরের অধিকাংশ মানুষকে ‘তুই’ বলে সম্বোধন করতেন, এতে কোন কেহ অপমান বোধ করতেন না। এক কথায় সারাজীবন তিনি সেবক হিসাবে কাজ করে গেছেন। ফলে তাঁর কোন শত্রু আছে বলে কেহ মনে করেন না।

প্রয়াত অনিল মোদক-এর বড় ছেলে, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার কেশবপুর উপজেলা সাংবাদিক দিলীপ মোদক তার পিতার কিছু ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, কেশবপুরের মানুষের সাথে তাঁর ছিল নিবিড় সম্পর্ক। সকলকে আপন মনে করতেন। জীবনে তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তাঁর কোন শত্রু ছিল বলে আমার মনে হয় না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা