রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৭:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Logo রোহিঙ্গা ও আটকে পড়া পাকিস্তানিরা দেশের বোঝা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। Logo বরিশালে সরকারি ঘর পাইয়ে দেয়ার কথা বলে টাকা নেওয়া, প্রতারক খলিল হাওলাদার’র ১ বছরের কারাদন্ড। Logo কলাপাড়ার মিঠাগঞ্জ ইউপিতে জেলে ও ভিজিডি’র চাল বিতরণ। Logo ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম ফাতেমা জাতের ধান চাষ করে সাফল্য অর্জন রেজাউল করিমের। Logo বাকেরগঞ্জ উপজেলায় লাইসেন্সবিহীন জমজমাট ফার্মেসী ব্যবসা /যেন দেখার কেউ নেই। Logo ৬ নং ভানোর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার কান্ডারী হতে চান রফিকুল ইসলাম। Logo ঝালকাঠিতে ১০ টাকার চাল বিক্রিতে নানা অনিমের অভিযোগ। Logo ঝালকাঠির বার্জ ডিপো জনস্বার্থে স্থানান্তরের দাবী এলাকাবাসীর। Logo রাঙামাটির গুলশাখালী ইউনিয়ন বাসীর সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চায় আব্দুল মালেক। Logo রায়পাশা- কড়াপুর ইউনিয়ন বাসীর সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চায় আহম্মদ শাহরিয়ার বাবু।

ঝালকাঠি’তে বিএনপি নেতা শাহ আলম মোল্লা’র সংবাদ সম্মেলন।

দৈনিক আলোকিত প্রভাত / ৩৫ বার পঠিত
আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ

ঝালকাঠি প্রতিনিধি ঃ-
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নথুল্লাবাদ ইউনিয়নের বিএনপি’র সাবেক সভাপতি সদর উপজেলা বিএনপি’র সদস্য মোঃ শাহ আলম মোল্লাকে দল থেকে অব্যহতি প্রদানের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে নৈয়ারী গ্রামের একটি অফিসে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মোঃ শাহ আলম মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, “আমি ছাত্রদলের রাজনীতি দিয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু করি। ১৯৮৮ সালে শেরে বাংলা ফজলুল হক ডিগ্রি কলেজ, বিনয়কাঠিতে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী ছিলাম। ১৯৯২ সাল হতে জেলা বিএনপি’র সদস্য ছিলাম। ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপি’র সদস্য এবং ১০ নং নথুল্লাবাদ ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি দায়িত্বে ছিলাম।রাজনৈতিক রোশানলে পরে একাধিক মামলা ও একাধিক বার জেল খেটেছি।অর্থ দিয়ে, শ্রম দিয়ে, দলের যেকোন কর্মসূচী পালন করেছি। দুঃখের বিষয় গত ১২/০৯/২০২১ইং তারিখে ঝালকাঠি জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব জনাব এ্যাড. শাহাদাৎ হোসেন কর্তৃক স্বাক্ষরিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ত্রুটিপূর্ণ প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেখলাম। আমি নাকি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছি। যার জন্য আমাকে দলীয় সদস্য পদ থেকে অব্যহতি দিয়েছেন।এহেন অব্যহতি বিএনপি’র গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী। বিএনপি’র কোন নেতা বা কর্মীকে অব্যহতি দেয়ার ক্ষমতা গঠন তন্ত্রের ৫(গ) ধারায় কেবল মাত্র চেয়ারপার্সনের। আমার জানামতে জেলা বিএনপি কারো বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করতে হলে তাকে কারণ দর্শাণোর নোটিশ দিতে হবে। নোটিশে একটি নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে কি কি অভিযোগ তা জানাতে হবে।যদি জবাব সন্তোষজনক না হয় সেক্ষেত্রে জরুরী সভা ডেকে রেজুলিউশন করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্যে কেন্দ্রীয় কমিটিতে পাঠাতে পারেন। পরবর্তী ব্যবস্থা কেন্দ্রীয় কমিটি গ্রহন করবেন।আমার বিরুদ্ধে কি কি অভিযোগ তা না জানিয়ে আমাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান না করে বা আমাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে অব্যহতি প্রদান গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী। বিএনপি’র গঠনতন্ত্রে ৫ (গ) ধারায় সুস্পষ্ট বলা আছে কাউকে দল থেকে অব্যহতি দেয়ার ক্ষমতা একমাত্র দলীয় চেয়ারপার্সনের। এছাড়াও আমার নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন রকম মিথ্যা ও বিভ্রান্তকর তথ্য দিয়ে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন ও আমার দলীয় নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। আমি এহেন অসাংগঠনিক অব্যহতি প্রত্যাখান করছি এবং বিএনপি’র বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও নীলনকশার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD