1. admin@dailyalokitoprovat.com : admin :
শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সয়াবিনের বাম্পার ফলন হওয়ার পরেও, কৃষকের মাথায় হাত। তালতলীতে নৌকা মার্কার প্রার্থী সংবাদ সম্মেলন। একটি দৃষ্টি নন্দন সৌন্দর্যময় বিনোদন কেন্দ্র, কল্পনা পিকনিক স্পট। ঝালকাঠি জেলা কৃষকদলের কমিটি গঠন। নেত্রকোণায় সরকারি জীবন বীমা কর্পোরেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কেশবপুরের মঙ্গলকোটে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন। কেশবপুরে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমাবেশ। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২২ উপলক্ষে ঝালকাঠিতে সাংবাদিকদের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত। মানবেতর জীবন যাপন করছেন ঠাকুরগাঁওয়ের একতা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের শিক্ষক কর্মচারীরা। বগুড়ায় র‌্যাবের অভিযানে কাহালুতে নকল স্বর্ণের মূর্তিসহ আটক ২।

তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার প্রতিরোধে সভা অনুষ্ঠিত।

দৈনিক আলোকিত প্রভাত
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২২
  • ৪৯ বার পঠিত

ইত্তিজা হাসান মনির,বরগুনা প্রতিনিধি।
গ্রামবাংলা উন্নয়ন কমিটির সহযোগিতায় বরগুনার স্হানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিবিডিপি সভাটি আয়োজন করে। সংস্থাটি পাথরঘাটা পৌর এলাকায় তামাক জাত দ্রব্যের অপ ব্যবহার রোধে কাজ করে আসছে। এজন্য স্হানীয় পর্যায়ে সমাজ উন্নয়ন কমিটি নামে একটি ওয়াচডগ কমিটি রয়েছে।

বরগুনার পাথরঘাটায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন নির্দেশিকা নিয়ন্ত্রণ আইন( ২০০৫) প্রয়োগ নিশ্চিতকরণ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও পাথরঘাটা তামাক নিয়ন্ত্রণ টাস্কফোর্স কমিটি যৌথ সভা অদ্য ১৮ এপ্রিল ২০২২ সকাল ১০টায় পাথরঘাটা পৌর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পাথরঘাটা তামাক প্রতিরোধ টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতি মোঃ সিদ্দিকুর রহমান। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথরঘাটা পৌরসভার মেয়র মোঃ আনোয়ার হোসেন আকন। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন এ কে আলম অপু প্রোগ্রাম অফিসার গ্রাম বাংলা উন্নয়ন কমিটি বরিশাল অঞ্চল,পাথরঘাটা থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক মোঃ শহিদুল ইসলাম এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক আমিন সোহেল। এছাড়াও সবাই উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর বৃন্দ যথাক্রমে মোসাঃফরিদা ইয়াসমিন কলি, মোসাঃ ইয়াসিন আরা বেগম,মোঃসাঃ চামেলি,মোঃ জহিরুল হক চিনু,মোঃ রোকনুজ্জামান রুকু, মোঃ আবু বকর সিদ্দিক, মোঃ মশিউর রহমান,মোঃ জামাল হোসেন,মোঃ মনজুর রশিদ, মোঃ মোসাফ্ফের হোসেন, মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং মোসাঃ নাজমুন নাহার।

সভায় বক্তারা বলেন স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে তামাক ও তামাকজাত পণ্য ব্যবহার প্রতিরোধে বিষয়ে কাজ করে যাবেন, পুলিশ উপ-পরিদর্শক মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান এ কাজে সরকারের তথা আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী সব সময় সহযোগিতা প্রদান করবে।

সভার শুরুতেই আয়োজন কারী সংস্থা সিবিডিপির পক্ষ থেকে একটি তথ্যপত্র উপস্থাপন করা হয় এবং সভা সঞ্চালনা করেন সিবিডিপির প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন। এ তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়,

বিশ্বব্যাপী তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ২০০৩ সালের মে মাসে ৫৬তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে ফ্রেমওর্য়াক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি) চুক্তি অনুমোদিত হয়। বাংলাদেশ এই চুক্তির প্রথম স্বাক্ষরকারী দেশ এবং ২০০৪ সালে চুক্তিকে অনুসমর্থন করে। এরই ধারাবাহিকতায় সরকার ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ (সংশোধিত ২০১৩) এবং ২০১৫ সালে এ সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়ন করে।

৩০-৩১ জানুয়ারি, ২০১৬ ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘Summit on Achieving the Sustainable Development Goals’ শীর্ষক South Asian Speakers Summit-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করার ঘোষণা দেন। দেশের ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাতে এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG)-এর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত লক্ষ্য-৩ অর্জনে আন্তর্জাতিক চুক্তি বাস্তবায়ন ও তামাকজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় পদক্ষেপ গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এখন আলোচ্য বিষয়,মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করার ঘোষণা কী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবায়িত হবে? নিশ্চয়ই তা নয়। কোনো সিদ্ধান্তই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবায়িত হয় না এটাই বৈজ্ঞানিক সত্য। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং আরো কিছু অনুসিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সেটি বাস্তবায়ন করতে হয়।

তার আলোকেই তামাকবিরোধী সংস্থাগুলির নিরলস প্রচেষ্টা এবং সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের কার্যকর ভূমিকায় জানুয়ারি ২০২১-এ ‘স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন নির্দেশিকা’প্রকাশিত হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের সকল দপ্তর/সংস্থা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে (সিটি করপোরেশন,পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ) নির্দেশিকাটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২ মার্চ ২০২১-এ স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক প্রজ্ঞাপন (স্মারক নং:৪৬.০০.০০০০.০৮৫.০৬.০৪২.২০১৮-১১৮) জারি করা হয়।

তামাকজাত দ্রব্যের (বিশেষকরে সিগারেট/বিড়ি) যত্রতত্র ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও বিক্রয় সীমিতকরণে ‘স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন নির্দেশিকা’ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। নির্দেশিকাটি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ ঘোষণা বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন নির্দেশিকা’র ৮ এর ৮.১-এ বলা হয়েছে, তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রয়কেন্দ্র বা যেখানে তামাকজাত দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় হবে তার জন্য আবশ্যিকভাবে পৃথক ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা এবং প্রতিবছর নির্দিষ্ট ফি প্রদান সাপেক্ষে আবেদনের মাধ্যমে উক্ত ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা।

এখন কথা হলো লাইসেন্সিং বলতে আমরা কী বুঝি? লাইসেন্সিং ব্যবস্থা কার্যকর করা অর্থ শুধু বৈধতা প্রদান নয়। তারচেয়েও বেশি,নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।

সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা এই মর্মে অংগীকারাবদ্ধ হন স্ব স্ব এলাকায় তারা আন্তরিকতার সাথে এ বিষয়ে কাজ করে যাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা