1. admin@dailyalokitoprovat.com : admin :
শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সয়াবিনের বাম্পার ফলন হওয়ার পরেও, কৃষকের মাথায় হাত। তালতলীতে নৌকা মার্কার প্রার্থী সংবাদ সম্মেলন। একটি দৃষ্টি নন্দন সৌন্দর্যময় বিনোদন কেন্দ্র, কল্পনা পিকনিক স্পট। ঝালকাঠি জেলা কৃষকদলের কমিটি গঠন। নেত্রকোণায় সরকারি জীবন বীমা কর্পোরেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কেশবপুরের মঙ্গলকোটে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন। কেশবপুরে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমাবেশ। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২২ উপলক্ষে ঝালকাঠিতে সাংবাদিকদের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত। মানবেতর জীবন যাপন করছেন ঠাকুরগাঁওয়ের একতা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের শিক্ষক কর্মচারীরা। বগুড়ায় র‌্যাবের অভিযানে কাহালুতে নকল স্বর্ণের মূর্তিসহ আটক ২।

নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে মডবাড়িয়া’য় একের পর এক গড়ে উঠছে অবৈধ স’মিল।

দৈনিক আলোকিত প্রভাত
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২১
  • ১৪৭ বার পঠিত

ডেক্স রিপোর্ট ঃ-
পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলায় নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে একের পর এক গড়ে উঠছে অবৈধ স’মিল। অধিকাংশ ‘স’ মিলের নেই বৈধ লাইসেন্স। সরকার মোটা অংকের রাজস্ব হারালেও খবর রাখছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

করাত-কল (লাইসেন্স) বিধিমালায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে, কোন ব্যক্তি লাইসেন্স ব্যতীত কোন করাত কল স্থাপন বা পরিচালনা করিতে পারিবে না। সরকারী বন ভূমি হইতে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এবং সরকারী অফিস আদালত হইতে ২০০ মিটারের মধ্যে কোন করাত কল স্হাপন বা পরিচালনা করা যাইবে না।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার মিরুখালী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড ওয়াহেদাবাদ গ্রামে স্থাপন করা হচ্ছে নতুন একটি স’মিল। ইউনিয়ন পরিষদ রোড থেকে উমা বাড়ির সামনে স’মিলটির মালিক মোঃ খোকন। পিতার নাম জয়নাল আবেদীন। লাইসেন্স আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, স’মিল করতে লাইসেন্স লাগে তা আমার জানা নেই। মিরুখালীতে ৫টি স’মিল আছে। তারা যদি লাইসেন্স ছাড়াই চালাতে পারে আমি কেন পারব না।

সুন্দরবনের পাশেই উপজেলার মাঝের চর ও গোলবুনিয়া গ্রাম। করাত কল বিধিমালা না মেনেই এ এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে একাধিক স’মিল। প্রভাবশালী হওয়ায় আইনের আওতায় আসছে না তারা।

মঠবাড়িয়া থানা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে একাধিক স’মিল। বিধিমালা অনুযায়ী এগুলো সম্পূর্ণ অবৈধ। আঞ্চলিক মহাসড়ক ও এলজিইডি রাস্তা জড়িয়ে পাশে রাখা হচ্ছে মোটা মোটা গাছের গুড়ি। বারোয়ানি কাছারি ও মিরুখালী রোডে পথচারীদের চলাচলে পোহাতে হয় দুর্ভোগ। পথচারীদের চোখে পড়ে কাঠের গুঁড়ো।

বন ও পরিবেশ বিভাগের তদারকির অভাবে সুন্দরবন, সরকারী অফিস ও রাস্তার পাশে গড়ে উঠছে এসব অবৈধ স’মিল।

নিয়মানুযায়ী স’মিল স্থাপন করতে হলে স’মিলের জন্য নির্ধারিত ভূমির প্রত্যয়ন নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস থেকে এ প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ করতে হবে। নিতে হবে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র। এগুলো নিয়ে বন বিভাগে আবেদন করতে হবে। আবেদনের প্রেক্ষিতে বন সংরক্ষক কর্মকর্তার অগ্রগামীতার ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে একটি মিটিং অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট জেলার ডিসি থাকবেন মিটিংয়ের আহবায়ক। সংশ্লিষ্ট উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিটিংয়ে উপস্থিত থাকবেন। আর এ মিটিংয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে বন বিভাগের বিভাগীয় কার্যালয় থেকে লাইসেন্স প্রদান করা হয়। কিন্তু এ নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা না করেই একের পর এক গড়ে উঠছে অবৈধ স’মিল।

এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ ফখরুদ্দিন জানান, অবৈধ স’মিল মালিকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্হা নেওয়া প্রয়োজন। উপজেলায় শতাধিক স’মিল থাকলেও হাতেগোনা মাত্র কয়েকটির লাইসেন্স আছে। উপজেলা প্রশাসন বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান পরিচালনা করলে বন বিভাগ সার্বিক সহযোগিতা করবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অঃ দাঃ) বশির আহমেদ জানান, বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ অবৈধ স’মিলের তালিকা সংরক্ষণ করিবে। উক্ত তালিকা উপজেলা প্রশাসনে প্রেরণের ভিত্তিতে অবৈধ স’মিলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্হা নেওয়া হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ কামরুজ্জামান সরকার জানান, বন ও পরিবেশ আইন – ২০১২ এর বিধি মোতাবেক আমরা করাতকলের ছাড়পত্র প্রদান করি। তবে করাতকল বিধি মোতাবেক স্হাপন করা হয়েছে কিনা তা যাচাই-বাছাই করেই পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা