বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Logo বাকেরগঞ্জ পাদ্রীশিবপুরে মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার আসামি, তিন মাসেও গ্রেফতার হয়নি,থানা পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। Logo হয়রানির শিকার যাত্রী সাধারণ । Logo মা ইলিশ অভিযানে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সাফল্য, ২৩৪ কোটি টাকার জাল ও ২৫৭ জেলে আটক। Logo সৈয়দকাঠীতে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজ্জাক মাস্টার আনারস প্রতীক পেয়েছেন Logo মনোনয়ন না পেলেই একে অপরকে রাজাকার বানাতে ব্যস্ত ঃ ওবায়দুল কাদের। Logo ঠাকুরগাঁওয়ের সেই তেলের ঘানি টানা দম্পতিকে গরু ও অর্থ উপহার দিলেন- জেলা প্রশাসক Logo বরিশাল লঞ্চঘাটে থ্রি হুইলার থেকে সুমনের চাঁদাবাজি বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo শিকলে বাঁধা মৌসুমি এখন স্বাভাবিক জীবনে। Logo আসন্ন ইউপি নির্বাচনে বাকেরগঞ্জ নিয়ামতি ইউনিয়নে ১ নং ওয়ার্ডে জনমত জরিপে এগিয়ে রয়েছেন বাবুল আকন। Logo ঠাকুরগাঁওয়ে ঐতিহ্যবাহী টাংগন ব্যারেজের গেট উত্তলন।

বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে দেখা মিলছেনা রুপালী ইলিশের

দৈনিক আলোকিত প্রভাত / ৩০ বার পঠিত
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ আগস্ট, ২০২১, ৯:২০ অপরাহ্ণ

কলাপাড়া প্রতিনিধি :: কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে দেখা মিলছেনা রুপালী ইলিশ। দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা পর অনেক আশা নিয়ে গভীর সমুদ্রে যায় জেলেরা। কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত ইলিশের দেখা পায়নি। সাগর চষে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ট্রলার শুন্য হাতে ঘাটে ফিরে এসেছে। জালে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পরবে এসব জেলেদের স্বপ্ন ছিলো। কারো জালেই বড় ইলিশ ধরা পরেনি। তবে পেয়েছে সামান্য কিছু ছোট সাইজের ইলিশ। এতে বাজার খরচ ওঠেনি কারো। তারপরও লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে ফের সমুদ্রে যাচ্ছে ফিরে আসা ট্রলারগুলো ।

স্থানীয় জেলেদের সূত্রে জানা গেছে, ৬৫দিনের অবরোধ শেষ হয়েছে গত ২৩ জুলাই। ২৪ জুলাই জেলেদের সমুদ্রে মাছ শিকার করতে যাওয়ার প্রস্তুতি থাকলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে যেতে পারেনি। এরপর তারা গত ২৭-২৮ জুলাই একযোগে ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যায়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন সাগরে ইলিশের সন্ধান পায়নি।

এদিকে পোনে দুই লক্ষ টাকার বাজার নিয়ে ৭ দিন সমুদ্রে চষে ইঞ্জিণের ত্রুটি নিয়ে বুধবার দুপুরে ঘাটে ফিরছে এফবি জিহাদ নামের একটি মাছ ধরা ট্রলার। ১৬ কেজি ইলিশ, ৪টি গোলপাতাসহ সামান্য কিছু টোনাফিস নিয়ে ঘাটে ফিরে ৪০ হাজার টাকা বিক্রয় করেছেন।

দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের অন্যতম মৎস্য বন্দর আলীপুর আড়ৎ পট্টিতে সাথে কথা হয় ট্রলারের মাঝি আব্দুল জলিলের। চোখে মুখে হতাশার ছাপ নিয়ে তিনি বলেন, ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে বড় আশা নিয়ে সমুদ্রে গিয়েছিলাম। কিন্তু ফিরে এসে ৪০

অপর এক ট্রলারের মিস্ত্রি ছগির হোসেন গাজী বলেন, তারা দেড় লক্ষ টাকার বাজার নিয়ে সমুদ্রে মাছ শিকারে যায়। তারা তীরে এসে মাছ বিক্রয় করেছেন ৫৫ হাজার টাকা। জালে ইলিশ ধরা পরবে এমন আশা নিয়ে এই লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে আবার সমুদ্রে যাবো বলে তিনি জানিয়েছেন।
ট্রলার মালিক মো.আল-আমিন হাওলাদার বলেন, এভাবে চলতে থাকলে ট্রলার বিক্রয় করা ছাড়া উপায় থাকবে না।

মৎস্য ব্যবসায়ী মো.মিজানুর রহমান বলেন, আড়ৎ পট্টির আড়ৎদাররা অনেক ধরা দেনা করে বর্তমানে ব্যবসা ঠিক রাখছেন। এখন সাগরে জেলেদের জালে মাছ না মিললে পালিয়ে এলাকা ছাড়তে হবে।

আলীপুর মৎস্য আড়ৎ সমবায় সমিতির সভাপতি মো. অনছার উদ্দিন মোল্লা বলেল, আড়ৎদাররা অনেক ধার দেনায় জর্জড়িত হয়ে গেছে। তবে সাগরে জেলেদের জালে ইলিশ ধরা পরলেই আড়ৎদাররা সমস্যা থেকে উত্তোলন পাবে। আর এ মৎস্য বন্দরের ফিরে আসবে প্রানচাঞ্চল্যতা এমন প্রত্যাশা করেছেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD