1. admin@dailyalokitoprovat.com : admin :
শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীর মোহনপুরে প্রাইভেটকার ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ। কাহালু’র দূর্গাপুর ইউ পি নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। প্রেমিক’র বিয়ের খবরে প্রেমিকার আত্নহত্যা । কাহালু উপজেলা চেয়ারম্যান সুরুজকে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়। হাইওয়ে যেন মরন ফাঁদ সাধারণ মানুষ হচ্ছে দুর্ঘটনার শিকার। নেত্রকোনার মগড়া নদীতে ভেসে আসা মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার। চুকনগর বধ্যভূমি পরিদর্শন করেন ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী বিক্রম দ্রোয়াস্বামী। সয়াবিনের বাম্পার ফলন হওয়ার পরেও, কৃষকের মাথায় হাত। তালতলীতে নৌকা মার্কার প্রার্থী সংবাদ সম্মেলন। একটি দৃষ্টি নন্দন সৌন্দর্যময় বিনোদন কেন্দ্র, কল্পনা পিকনিক স্পট।

বরিশালে ডোস্ট ফিলিং স্টেশনে চলছে তেল চুরির মহোৎসব।

দৈনিক আলোকিত প্রভাত
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১১৩ বার পঠিত

অনলাইন ডেক্স ঃ-
বরিশাল নগরীর সাগরদি এলাকার ডোস্ট ফিলিং স্টেশনে চলছে তেল চুরির মহোৎসব। গ্রাহকদেরকে মাপে কম দিয়ে হাজার হাজার টাকার তেল মেরে দেয়া হচ্ছে প্রতিদিন। প্রতিবাদ করে উল্টো তোপের মুখে পড়ে গ্রাহকরা।

বুধবার বিকেলে তেল চুরি করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে স্টাফ জুলহাস ও জাহাঙ্গীর। সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সেই তেল আবার ফেরত দেয় তারা। বিকেল ৫টার দিকে একজন গ্রাহক ২৫ লিটারের একটি কন্টেইনারে ১৫ লিটার তেল নেন। এ সময় কৌশলে তাকে সাড়ে ১২ লিটার তেল দেয় ডোস্টের স্টাফ ঝুলহাস ও সোহাগ। গ্রাহক বুঝতে পেরে প্রতিবাদ জানিয়ে বাকি তেল দাবি করেন। এতে তার উপর চড়াও হয় স্টাফ জুলহাস ও জাহাঙ্গির। বিধিবাম এ সময় কয়েকজন সাংবাদিক সেখানে পাম্প থেকে মোটরসাইকেলে তেল নিচ্ছিলেন। হট্রোগোল দেখে এগিয়ে গেলে অবশেষে বাকি সাড়ে তিন লিটার দিয়ে দিতে বাধ্য হয় ডোস্ট পাম্পের স্টাফরা।

এ বিষয়ে সেখানে দায়িত্বরত ক্যাশিয়ার রিপনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমি এটি নিয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবো না।

একাউন্ট্যান্ট জাহাঙ্গির হোসেন তেল চুরির পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেন, এটা কিছুনা, এটা নিয়ে নিউজ করার কিছু নেই।

ডোস্ট ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার পরিচয়ে জাকির হোসন নামে একজন এই নিউজটি না করতে অনুরোধ করেন। পাশাপাশি কিছু টাকা দিয়ে সাংবাদিককে ম্যানেজ করারও চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, এটি অপরাধ হয়েছে। তাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করছি।

এদিকে আরেক গ্রাহক মোঃ সেলিম অভিযোগ করে বলেন, আমি কুয়াকাটা যাওয়ার পথে ডোস্ট থেকে পাঁচ শত টাকার তেল নেই। কিন্তু তেলের মিটার মোটেও নড়েনি। প্রতিবাদ করে কোন লাভ হয়। পড়ে বুঝতে পারি আমাকে পাঁচ শত টাকার পরিবর্তে মাত্র পঞ্চাশ টাকার তেল দিয়েছে। এভাবে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকার তেল কম দিয়ে গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করছে ডোস্ট ফিলিং স্টেশন।

এসব অবৈধ তেল চুরির টাকা স্টাফরা পায় নাকি মালিক পায় ? এমন প্রশ্নের জবাবে এক কর্মচারী বলেন, সব কিছুর ভাগই মালিক / ম্যানেজারকে দিতে হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা