মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন

বাউসী অর্দ্ধচন্দ্র উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় (স্কুল&কলেজ) টির বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থা।

দৈনিক আলোকিত প্রভাত / ১০৬ বার পঠিত
আপডেট সময় : রবিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২১, ৪:৩২ অপরাহ্ণ

রিপন কান্তি গুন,বারহাট্টা উপজেলা প্রতিনিধি।
বারহাট্টা উপজেলাধীন, বাউসী ইউনিয়নে অবস্থিত-“বাউসী অর্দ্ধচন্দ্র উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়টি” একটি পুরানো ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বাউসী ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত, অনেক ইতিহাসের সাক্ষী এবং অনেক পুরাতন শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত করা হয়েছে ।

সবচেয়ে পুরাতন বিদ্যালয় বারহাট্টা সি.কে.পি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাকাল ১৯২০ খ্রীঃ। বাউসী অর্দ্ধচন্দ্র উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়টি বারহাট্টা উপজেলার বাউসী ইউনিয়নে ১৯৩৯ খ্রীঃ প্রতিষ্ঠিত হয়। যা বারহাট্টা উপজেলার বুকে দ্বিতীয় পুরাতন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ।

বাউসী অর্দ্ধচন্দ্র উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়টি অনেক পুরাতন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি “বাউসী অর্ধচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়” নামে– “স্বর্গীয় রাম সুন্দর সাহা” ১৯৩৯ খ্রীঃ প্রতিষ্ঠা করেন । প্রথমে বিদ্যালয়টি শুধুমাত্র স্কুল শাখা পর্যন্ত ছিল ।

উক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি, পরবর্তীতে ১৯৯৭ খ্রীঃ সাবেক সচিব মোঃ এম.এ খালেক নিজ প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টিকে দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করেন এবং “বাউসী অর্দ্ধচন্দ্র উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়” নামকরণ করেন ।

এই বিদ্যালয় হতে অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং দেশ-বিদেশের অনেক বিখ্যাত ব্যক্তি পড়াশোনা করেছেন।
স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, শ্রীযুক্ত বাবু ইশ্বর চন্দ্র সাহা (১৯৩৯ খ্রীঃ), প্রথম প্রধান শিক্ষক বাবু, রমেশ চন্দ্র রায় (১৯৩৯ খ্রীঃ) নিযুক্ত ছিলেন ।

১৯৯৭ খ্রীঃ কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর, নন-এমপিও শিক্ষকগণ সরকারী বেতন-ভাতাদি না পাওয়ায়, শিক্ষকগণ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত সামান্য টাকা দিয়ে অতি কষ্টে দিনযাপন করেন। অবশেষ ২০০৪ খ্রীঃ কলেজ পর্যায়ের শিক্ষকরা এমপিওভূক্ত হন ।

কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন জনাব, এম.এ খালেক এবং অধ্যক্ষ ছিলেন জনাব, মোঃ আঃ করিম ।
স্কুল, কলেজের ছাত্র–ছাত্রীদের ক্লাসরুম, বিজ্ঞানাগার, এমনকি শিক্ষকদের মিলনায়তনটিও বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে ।

বর্তমান অধ্যক্ষ মহোদয় জনাব, তাহেরুল ইসলাম অনেক চেষ্টা তদবির করেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির জন্য কোন সাহায্য সহযোগিতার ব্যবস্থা করতে পারেননি। তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলেন, প্রায় ৮২ বছর চলে গেলেও প্রতিষ্ঠানটির তেমন কোন উন্নয়ন হয় নাই ।

তিনি আরও বলেন, আমার স্বপ্ন অবসরে যাওয়ার আগে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে এহেন জরাজীর্ণ অবস্থা থেকে মুক্ত করে, একটি আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসারে গড়ে তোলা । তাই, তিনি শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করছেন ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD