1. admin@dailyalokitoprovat.com : admin :
শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নবাগত ওসির সাথে রুহিয়া থানা প্রেসক্লাবের সদস্যদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা। একজন তরুণ হাফেজের বেঁচে থাকার জন্য আর্থিক সাহায্যের আকুল আবেদন। ঝালকাঠিতে গ্রামীন ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার’র দূর্নীতির মামলায় ১০বছরের কারাদন্ড। তালতলী ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিজয়। কাহালুতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে, বিনামূল্য সার বীজ বিতারন। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সাহিত্য সম্মেলন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে লেখক হিসেবে সম্মাননা ক্রেস্ট পেল সাংবাদিক বাচ্চু। কেশবপুরের বাঁশবাড়িয়া বাজার পরিচালনা কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন। নেত্রকোনার সুলতানকে দেখতে মানুষের ভিড়। জন্মনিবন্ধন সনদে অতিরিক্ত টাকা আদায়,সুবিদপুর উদ্যোক্তার সাথে স্থানীয় জনতার হাতাহাতি। কাহালুতে প্রাণী সম্পদ অফিসে খামারীদের মধ্যে গরু,ছাগল বিতরণ।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা’র হাজারো মানুষ ঝুকিতে,পানি উন্নয়ন বোর্ড’র নজরদারি দাবি। ।

দৈনিক আলোকিত প্রভাত
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২২
  • ৩৯ বার পঠিত

ডেক্স রিপোর্ট।
সিডর,আইলা,মহসিন,বুলবুল,আম্পান ও ইয়াসের মত ঝড়,বন্যা,জলোচ্ছ্বাস প্রতিবছর আঘাত হানে বাকেরগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকায়। বর্ষা মৌসুমে বেশিরভাগ নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায় তুলাতলী নদিতে। উপজেলা শহর পৌর এলাকার চরাঞ্চলের কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে প্রতিবছর।

ঝড়-বন্যা-জলোচ্ছ্বাসের সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হয় মানুষের। প্রতি বছর যখনই ঝড় বন্যায় নদীর পানি বৃদ্ধি পায় তখন দুর্বল বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে পৌরসভার ২,৩,৫,৬ নং ওয়ার্ডের ক্ষতিগ্রস্ত হয় হাজারো পরিবারের মানুষ। ভেসে যায় মৎস্য ঘের, ফসলি জমি সহ ঘর বাড়ি।

ঐতিহ্যবাহী বাকেরগঞ্জ বন্দর সহ উপজেলার মূল শহরের সদর রোড নদী ভাঙ্গনের কবলে,বাকেরগঞ্জ বন্দর সদর রোড এলাকার শতাধিক পরিবার হারাতে বসেছেন মাথাগোঁজার শেষ ঠাই ভিটেমাটি বসত ঘর পর্যন্ত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদ মন্দির সহ কবরস্থান শ্মশানঘাট নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাসন-শোষণ করেছেন অনেক এমপি-মন্ত্রীরাও তবে ভাগ্যের চাকা ঘোরে নেই চর অঞ্চল বাসির।

তবে প্রতিবছর পৌর কর্তৃপক্ষ তাদের অর্থায়নে কয়েকটি ওয়ার্ডে বেড়িবাঁধ পুননির্মাণ করে থাকে তবে দুর্বল বেড়িবাঁধ কখনোই টেকসই বেড়িবাঁধ হয়ে ওঠে না। প্রতিবছর বন্যার কবলে বেড়িবাঁধ আবারও ভেঙে প্লাবিত হয়।

উপজেলার সাহেবগঞ্জ থেকে রুহিতারপাড় ৬ নং ওয়ার্ডের সংযোগ বেড়িবাঁধ প্রায় ১ কিলোমিটার নদী ভাঙ্গনে প্রতিবছর নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ভাঙ্গনে নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে কয়েক শত পরিবারের ভিটেমাটি।

৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ জুয়েল হাওলাদার জানান, হেলিপ্যাড থেকে রুহিতার পাড় পর্যন্ত যে বেড়িবাঁধ তা প্রতিবছরই নদী ভাঙ্গনে নদীগর্ভে চলে যায়। স্বাধীনতার ৫০ বছরেও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় প্রতি বছর ঝড়, বন্যা,জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে, কোথাও বেড়িবাঁধ ভেঙে,কোথাও বেড়িবাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে। চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এলাকাবাসী। কখনো এলাকাবাসীর অর্থায়নে কখনো পৌর কর্তৃপক্ষের অর্থায়নে বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হলেও কয়েক মাস পরেই নদীগর্ভে চলে যায়।

প্রতিবছর কোন না কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় আমাদের ঘর বাড়ি সহ আয়ের প্রধান উৎস মাছের ঘের। কেবল জীবন যাত্রায় বিপন্নতা নয়, অর্থনীতিতেও নেমে আসে দুরবস্থা। বাঁধ ভেঙ্গে গ্রামে প্রবেশ করেছে নদী পানি যা জনসাধারণের বসত ঘর, রান্না ঘর ছুয়ে যায়। কিছু স্থানে গবাদী পশু আর মানুষ একই সাথে বসবাস করতে হয় তখন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসীনতায় আজও এই বেড়িবাঁধে মাটি দেওয়া হয়নি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, শীঘ্রই আমরা ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ সহ ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো পরিদর্শন করে কি পরিমান বাজেট প্রয়োজন হতে পারে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা