1. admin@dailyalokitoprovat.com : admin :
শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কেশবপুরের মঙ্গলকোটে রংধনু আর্ট একাডেমির শুভ উদ্বোধন। বাকেরগঞ্জের এসিলেন্ট আবুজর মোঃ ইজাজুল হকের কারিশমায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ। বসতঘর থেকে কলেজ-ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার। রাজশাহীর মোহনপুরে প্রাইভেটকার ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ। কাহালু’র দূর্গাপুর ইউ পি নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। প্রেমিক’র বিয়ের খবরে প্রেমিকার আত্নহত্যা । কাহালু উপজেলা চেয়ারম্যান সুরুজকে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়। হাইওয়ে যেন মরন ফাঁদ সাধারণ মানুষ হচ্ছে দুর্ঘটনার শিকার। নেত্রকোনার মগড়া নদীতে ভেসে আসা মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার। চুকনগর বধ্যভূমি পরিদর্শন করেন ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী বিক্রম দ্রোয়াস্বামী।

বানারীপাড়ায় মুসলিমদের জমি সংখ্যালঘু তকমা লাগিয়ে দখলের পায়তারা।

দৈনিক আলোকিত প্রভাত
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২১
  • ১৪৮ বার পঠিত

বানারীপাড়া প্রতিনিধি ঃ-
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের জম্বদ্বীপ গ্রামের আকবর আলী বেপারীর সাথে জমিজমা নিয়ে বিরোধের মামলায় ২০১৭ সালের কোটের্র দেয়া রায়ের ঊভয় পক্ষকে স্থিথি অবস্থায় থাকার আদেশ দেখিয়ে গাভা গ্রামের মৃত বদেন্দ্র নাথ হালদারের ছেলে ঠাকুর চাঁন হালদার (৫০), জম্বদ্বীপ গ্রামের মৃত পরশ হালদারের ছেলে অমল হালদার (৩৫), পরিতোশ হালদার (৩০), জম্বদ্বীপ গ্রামের সোহরাব হোসেনের সম্পত্তি জবর দখল করার চেষ্টার অভিযোগ এনে তার ছেলে ইফতেখার হোসেন ওই ৩ জনকে বিবাদী করে বানারীপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এ বিষয়ে আকবর আলী বেপারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঠাকুর চাঁন ও অমল হালদার যে জমির কাগজ দেখিয়েছে তা সোহরাব হোসেনের সম্পত্তির নয়। ঠাকুর চাঁন গংদের সাথে তাদের মামলা চলাকালীন কোটের্র একটি স্থিথিবস্থা বজায় রাখার আদেশ। পরবর্তীতে তারা (আলী আবকবর বেপারীরা) ওই মামলায় তাদের পক্ষে রায় পান এবং বর্তমানে ভোগ দখলে রয়েছেন। অভিযোগ পেয়ে রবিবার (২৯ আগস্ট) সরেজমিনে বিরোধীয় সম্পত্তির এলাকায় গেলে দেখা যায় একটি সরকারি খালের পূর্ব প্রান্তে আলী আকবর বেপারীর সম্পত্তি এবং পশ্চিম প্রান্তে ঠাকুর চাঁন গনং ও ইফতেখার গনংদের দাবীদার বিরোধীয় সম্পত্তি।

সরেজমিনে থাকাকালীন উভয় পক্ষের কাছে তাদের সম্পত্তির কাগজপত্র দেখলে চাইলে ঠাকুর চাঁন গংরা আলী আকবর বেপারীর সাথে সম্পত্তি নিয়ে মামলায় হেরে যাওয়া কোটের্র উপরোক্ত আদেশটি ছাড়া অন্য কোন দালিলিকপত্র দেখাতে পারেনি। তবে ইফতেখার গংদের কাগজপত্রে দেখা যায় তারা ক্রয়সূত্রে রেকর্ডিয় মালিক বহাল আছে ওই বিরোধীয় সম্পত্তির। তারপরেও ঠাকুর চাঁন গংরা জোর পূর্বক ওই সম্পত্তিতে প্রবেশ করে চাষাবাদ করার পায়তারায় লিপ্ত রয়েছে বলে বাদী ও একাধিক স্থানীয়রা জানান।

এদিকে স্থানীয় সমীর জানান, সে ইফতেখারদের ওই জমি প্রায় ২০/২৫ বছর পর্যন্ত হালচাষ করছেন। একই কথা বলেন, ওই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য নূরুল হক কালু, মিজান বেপারী (৪৫), নূর হোসেন মোল্লা (৬০), জরিনা বেগম (৩৫), আকবর হোসেন (৫৮) সহ অনেকে। অপরদিকে ইফতেখার হোসেন জানান, চলতি বছরের ৪ জুন বানারীপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তবে কোন প্রকার মিমাংশায় পৌঁছাতে পারেনি তারা। সে আরও জানায়, বর্তমানে বিবাদীরা সংখ্যালঘুর তকমা লাগিয়ে তাদের সম্পত্তিতে জোর পূর্বক প্রবেশ করে চাষাবাদ করার প্রয়াসে (শৃঙ্খলা) ভঙ্গের কার্যাদি সাধিত করতে মরিয়া হয়ে রয়েছে। যাতে বাধা প্রদান করিলে শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রয়ে যায়, যা পরবর্তীতে বিবাদীরা হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা বলে প্রচার করতে পারে। এবিষয়ে বানারীপাড়া থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. জাফর আহম্মেদ জানান, উভয় পক্ষকে বিজ্ঞ আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে, বিরোধীয় সম্পত্তিতে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা