রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Logo রোহিঙ্গা ও আটকে পড়া পাকিস্তানিরা দেশের বোঝা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। Logo বরিশালে সরকারি ঘর পাইয়ে দেয়ার কথা বলে টাকা নেওয়া, প্রতারক খলিল হাওলাদার’র ১ বছরের কারাদন্ড। Logo কলাপাড়ার মিঠাগঞ্জ ইউপিতে জেলে ও ভিজিডি’র চাল বিতরণ। Logo ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম ফাতেমা জাতের ধান চাষ করে সাফল্য অর্জন রেজাউল করিমের। Logo বাকেরগঞ্জ উপজেলায় লাইসেন্সবিহীন জমজমাট ফার্মেসী ব্যবসা /যেন দেখার কেউ নেই। Logo ৬ নং ভানোর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার কান্ডারী হতে চান রফিকুল ইসলাম। Logo ঝালকাঠিতে ১০ টাকার চাল বিক্রিতে নানা অনিমের অভিযোগ। Logo ঝালকাঠির বার্জ ডিপো জনস্বার্থে স্থানান্তরের দাবী এলাকাবাসীর। Logo রাঙামাটির গুলশাখালী ইউনিয়ন বাসীর সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চায় আব্দুল মালেক। Logo রায়পাশা- কড়াপুর ইউনিয়ন বাসীর সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চায় আহম্মদ শাহরিয়ার বাবু।

মানবিক গুনাবলীর উজ্জল দৃষ্টান্ত সাবেক এম.পি ডাঃ জিয়াউল হক মোল্লা

দৈনিক আলোকিত প্রভাত / ৩৪ বার পঠিত
আপডেট সময় : শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ

হারুনুর রশিদ কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ-
বাংলাদেশের উত্তর জনপদের একটি জেলা বগুড়া জেলা। বগুড়া জেলাকে উত্তর অঞ্চলের প্রাণ কেন্দ্র বা প্রবেশদ্বার বলা হয়। রাজনৈতিক সমীকরণে উত্তর বঙ্গের গুরুত্বপূর্ন তাৎপর্য বহন করে। বগুড়া জেলার ১৩টি উপজেলার ও ৭টি সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকা নিয়ে গঠিত। তার মধ্য বগুড়া-৩৯ কাহালু নন্দগ্রীম উপজেলা নিয়ে বগুড়া ৪ নির্বাচনী এলাকা। এই এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য ডাঃ জিয়াউল হক মোল্লা। তিনি কাহালু উপজেলা দূর্গাপুর ইউনিয়নের দেওগ্রাম নামক স্থানে সমভ্রান্ত একটি মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করে। তার বাবাও সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন। তার বাবা ১৯৯০ সালে এম.পি পদপ্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৪ সালে মৃত্যু বরন করেন। তার বাবা মরহুম আজিজুল হক মোল্লা মৃত্যু বরন করার পর ডাঃ জিয়াউল হক মোল্লা ১৯৯৪ সালে কাহালু-নন্দীগ্রাম থেকে উপ-নির্বাচনে জয়ী হন, এবং সেই থেকে তিনি ২০০৬ সাল পর্যন্ত এম.পি ছিলেন। সেই সময় থেকে আজ পর্যন্ত তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় তার সুনাম অক্ষুন্ন রেখেছেন, এবং বিভিন্ন সময়ে কাহালু উপজেলা ও নন্দীগ্রাম এলাকার মানুষ তার সাথে যোগাযোগ করেন। সুখে দুখে গণ মানুষের পাশে তিনি সব সময় রয়ে গেছেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে মানুষের চিকিৎসা সেবা দিয়ে এসেছেন। কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকায় ক্যাম্প করেও সেবা প্রদান করেন। তিনি সাবেক এম.পি ও একজন চিকিৎসক। তার প্রমান স্বরূপ তিনি কাহালু পৌর এলাকার ৪নং ওয়ার্ডের সরদারপাড়া গ্রামের তারিকুলের পুত্রের চিকিৎসা সেবা, আসলাম আলী সরদারের বড় বোনের চিকিৎসা সেবা, ২০১৮ সালে ২নং ওয়ার্ড সাগাটিয়া গ্রামের ওয়ারেজ আলী পুত্র হাসানের চিকিৎসা সেবা নিজেই সফর সঙ্গী হয়ে ভরতে ব্যাঙ্গালুরে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। কাহালু সদর ইউনিয়নের জয়তুল গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী পলাশের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। এছাড়াও নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলকায় এরকম চিকিৎসা সেবার দৃষ্টান্ত রেখেছেন। চিকিৎসা সেবায় অনেক অবদান তার, করোনা কালীন সময়েও তিনি কাহালু নন্দীগ্রাম সদর হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও পিপিআই মাষ্ক বিতরণ করেন। তিনি গণমানুষের নেতা, তিনি মানবিক গুনাবলীর উজ্জল দৃষ্টান্ত। কাহালু নন্দীগ্রাম এলাকার মানুষ আজও তাকে শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করে। তাকে যদি এই এলাকায় আবারও দলীয় পদে এম.পি নমিনেশন দেওয়া হয়, তাহলে তিনি দুঃখী মানুষের কাজ করবেন, এই প্রত্যাশা কাহালু নন্দীগ্রাম এলকার সর্ব সাধারণ মানুষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD