1. admin@dailyalokitoprovat.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ১০:৫৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
একজন তরুণ হাফেজের বেঁচে থাকার জন্য আর্থিক সাহায্যের আকুল আবেদন। ঝালকাঠিতে গ্রামীন ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার’র দূর্নীতির মামলায় ১০বছরের কারাদন্ড। তালতলী ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিজয়। কাহালুতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে, বিনামূল্য সার বীজ বিতারন। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সাহিত্য সম্মেলন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে লেখক হিসেবে সম্মাননা ক্রেস্ট পেল সাংবাদিক বাচ্চু। কেশবপুরের বাঁশবাড়িয়া বাজার পরিচালনা কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন। নেত্রকোনার সুলতানকে দেখতে মানুষের ভিড়। জন্মনিবন্ধন সনদে অতিরিক্ত টাকা আদায়,সুবিদপুর উদ্যোক্তার সাথে স্থানীয় জনতার হাতাহাতি। কাহালুতে প্রাণী সম্পদ অফিসে খামারীদের মধ্যে গরু,ছাগল বিতরণ। প্রবাসী বাংলাদেশীদের সাথে নিয়ে ব্রাসিলিয়ায় পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন উদযাপন।

রাজাপুরে এমএম এতিমখানা ও হাফেজী মাদ্রাসা ১৪ এতিমের জন্য সরকারি বরাদ্দ প্রতিষ্ঠাতার পকেটে।

দৈনিক আলোকিত প্রভাত
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০২২
  • ৪৯ বার পঠিত

রাজাপুর প্রতিনিধি।
ঝালকাঠির রাজাপুরে এমএম এতিমখানা ও হাফেজী মাদ্রাসা সমাজসেবা অধিদপ্তরের সরকারি বরাদ্দের টাকা সঠিক খাতে ব্যয় করছে না। সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক ক্যপিটেশন গ্রান্ট প্রাপ্ত এতিমের সংখ্যা ১৭ জন দেখালেও তার মধ্যে ১৪ জনের মা-বাবা রয়েছে। নিন্ম আয়ের পরিবারের সন্তানদের এতিম বলে চালিয়ে দিয়ে বরাদ্দের টাকা লোপাট করা হচ্ছে।

খোদ এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা মোঃ মনিরুজ্জামান তার নিজের ছেলে জুবায়েরকেও এতিম মর্মে রেজিস্ট্রোশন করে সরকারি বরাদ্দের টাকা পকেটে ভরছে। তবে সরোজমিন অনুসন্ধান কালে উক্ত এতিমখানা কর্তৃপক্ষ অধিকাংশের শিক্ষার্থীর থাকা-খাওয়া বাবদ প্রতি মাস নিদৃষ্ট অংকের অর্থ নিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়,তাদের তালিকা অনুযায়ী রাজাপুর উপজেলায় সাতুরিয়া ইউনিয়নের লেবুবুনিয়া এলাকার এমএম এতিমখানা ও হাফেজী মাদ্রাসায় ক্যপিটেশন গ্রান্ট প্রাপ্ত নিবাসীর সংখ্যা মোট ১৮ জন। প্রতি মাসে জনপ্রতি ২ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এমএম এতিমখানা ও হাফেজী মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা যায়,এতিমখানার সাইনবোর্ড টাঙানো আছে কিন্তু নিবাসীদের সংখ্যা কোথাও লেখা নাই। মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ মাসুদুর রহমান বলেন,এই এতিম খানায় ১৭ জনের মধ্যে সর্বমোট ৩ জন এতিম আছে অন্যরা সবাই গরীব হলেও তাদের পিতামাতা রয়েছে।

এমএম এতিমখানা ও হাফেজী মাদ্রাসা এতিম হিসেবে দেখানো ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের মধ্যে অনেকের’ই বাবা বিভিন্ন মাদ্রসায় চাকুরী করেন। কারো বাবা দিন মজুর, কারো বাবা কৃষি কাজ করে। তাদের মধ্যে ১৪ জনের’ই বাবা ও মা জীবিত আছেন এবং থাকা-খাওয়া বাবদ জনপ্রতি ৫শ থেকে ১৫শ টাকা নেয়া হচ্ছে বলে জানাগেছে।

এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা মনিরুজ্জামান বলেন, আমার এতিমখানায় সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক ক্যপিটেশন গ্রান্ট প্রাপ্ত নিবাসীর সংখ্যা ১৭ জন। তাদের মধ্যে ৭-৮ জন এতিম আছে। তিনি তার মাদ্রাসাকে শতভাগ স্বচ্ছ বলে গর্ব করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা