বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Logo ঠাকুরগাঁওয়ে ঐতিহ্যবাহী টাংগন ব্যারেজের গেট উত্তলন। Logo কর্মহীন হয়ে পড়েছেন লেবুখালী ফেরিঘাট কেন্দ্রিক জীবিকা নির্বাহকারী শতাধিক ফেরিওয়ালা ও টং দোকানদার ব্যবসায়ীরা। Logo বরিশাল বানারীপাড়া থানায় পিতা ও পুত্রের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ। Logo রুহিয়া ইউপি নির্বাচনে আবারও মনিরুল হক বাবুকে নৌকার কান্ডারী দেখতে চায় ইউনিয়নবাসী । Logo বানারীপাড়ায় আওয়ামী লীগ নেতা সেলিম বেপারীর সংবাদ সম্মেলন। Logo বরিশাল নৌ-বন্দরে সুমনের চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ। Logo সময় টিভির পরিচয় দানকারী,বাকেরগন্জেে’র প্রতারক বিশ্বজিৎ কর্মকার আটক। Logo অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন অভিনেত্রী তানিন সুবাহ। Logo চুরির অপবাদ দিয়ে কৃষকের হাত-পা ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ। Logo আজ মধ্যরাত থেকে সমুদ্রে মাছ ধরবে জেলেরা।

শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ডে রোগী ও স্বজনদের কারণে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে

দৈনিক আলোকিত প্রভাত / ৩২ বার পঠিত
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১, ৩:০২ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবামেক) হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে কতিপয় রোগী ও স্বজনদের স্বেচ্ছাচারিতায় চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এখানকার করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন কতিপয় রোগী ও স্বজনরা প্রতিনিয়ত অক্সিজেন ভর্তি সিলিন্ডার লুকিয়ে রাখছেন। এমনকি সেন্ট্রাল অক্সিজেন সংযোজিত ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিউ) বেডও জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে।

কারন হিসেবে এখানকার করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন কতিপয় রোগী ও স্বজনরা জানিয়েছেন তারা ভয়ংকর ভাবে আক্রান্ত হলে, তখন অক্সিজেন অথবা সেন্ট্রাল অক্সিজেন সংযোজিত আইসিউ বেড পাবেন কোথায় ? রোগী ও স্বজনদের মধ্যে এমন ভয় সঞ্চার ও অসচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই করোনা ওয়ার্ডে নানারকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। আর এসব অপ্রীতিকর ঘটনার দায়ভার নিতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। যে কারণে তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম অক্সিজেন সঙ্কট। আবার অক্সিজেনের কৃত্রিম সঙ্কটের পেছনে শুধু কতিপয় রোগী ও স্বজনরাই দায়ী নয়।

এখানকার কর্মচারীদেরও হাত রয়েছে অক্সিজেনের কৃত্রিম সঙ্কট তৈরীর পেছনে। ওয়ার্ডে দায়িত্বরত ডাক্তার ও নার্স ব্যতীত অধিকাংশ কর্মচারী এসব অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। হাসপাতাল প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকলেও কর্মচারীরা কৌশল পাল্টে অক্সিজেন চুরি করে লিটার মেপে তা বিক্রি করছে রোগীদের কাছে। বিনিময়ে রোগীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা। এদিকে করোনা ওয়ার্ডে আগের তুলনায় চিকিৎসা সেবার মান বাড়লেও প্রচারের অভাবে মানুষ জানতে পারছে না। এমনটাই মনে করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, করোনা ওয়ার্ডে তিন জন ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে তিনশ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। আর তিনশ রোগীর চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য প্রয়োজন ত্রিশ জন ডাক্তার। অবশ্য এসব রোগীর ডাক্তারী চাহিদা মেটাতে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়েরও নজর প্রয়োজন আছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এখানে শুধু ডাক্তারী চাহিদা নয়, রয়েছে নার্স সঙ্কটও। তবে ডাক্তার ও নার্স সঙ্কট থাকলেও চিকিৎসা সেবার মান বিঘিœত হচ্ছে না।

হাসপাতালের নার্সিং সুপারিন্টেন্ডেন্ট সেলিনা আক্তার জানান, করোনা ওয়ার্ডে নার্সের উপস্থিতি রয়েছে এবং চব্বিশ ঘণ্টা রোগীদের সেবা প্রদান করা হচ্ছে। সেলিনা আক্তার আরও বলেন, হাসপাতালে নার্স সঙ্কটও রয়েছে। তারপরও ঝুকি নিয়ে করোনা রোগীদের শরীর স্পর্শ করে সেবা দিয়ে যাচ্ছি।
এদিকে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডাঃ এস.এম.মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, করোনা ওয়ার্ডে মাত্র তিন জন ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা প্রদান করা হলেও সেবার মান বিঘিœত হচ্ছে না।

করোনা ওয়ার্ডে কতিপয় রোগী ও স্বজনদের স্বেচ্ছাচারিতায় চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি । ডাঃ এস.এম.মনিরুজ্জামান বলেন করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন কতিপয় রোগী ও স্বজনরা প্রতিনিয়ত অক্সিজেন ভর্তি সিলিন্ডার লুকিয়ে রাখছেন। সেন্ট্রাল অক্সিজেন সংযোজিত আইসিউ বেড জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন। এমনকি সেন্ট্রাল অক্সিজেন সংযোজিত আইসিউ বেডে মৃত করোনা রোগীর পাশে আরেকজন জীবিত রোগী গিয়ে শুয়ে পড়ে বেড দখল করার অভিযোগও রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD