সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Logo আসছে মজুমদার ফিল্মস’র এক সমুদ্র ভালোবাসা। Logo কুয়াকাটার মাদ্রাসার ছাত্রীকে উত্যক্ত করা, দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। Logo মহিপুরের ওসি’র মহানুভবতায় পথ হারানো শিশু সুমাইয়া আক্তার (০৭) খুঁজে পেল তার পরিবার। Logo কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ নেতৃত্বে আসছেন সোহানুর রহমান সুমন Logo টোল পুনর্নির্ধারণ না করেই উদ্বোধন হলো পায়রা সেতু পায়রা সেতুতে ফেরির ৭ গুণ টোল পরিবহন ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ। Logo বনশ্রী থেকে কথিত মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যানকে অস্ত্রসহ আটক। Logo বরিশালে নগরীর ভাটারখালের আলোচিত মামলার আসামী সুমন জেল হাজতে Logo মহাসড়কে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মা ও শিশু নিহত। Logo এসএসসি ০২ ব্যাচ বাংলাদেশ গ্রুপের বর্ষপূর্তিতে বর্নাট্য আয়োজন। Logo ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ইউএনও’ মতবিনিময়।

শ্রীপুরে টুনটুনি এখন দর্শনীয় বস্তু।

কনিকা আক্তার শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি / ৮০ বার পঠিত
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর, ২০২১, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের হায়াতখারচালা গ্রামের আড়ালিয়া ভিটার কৃষক আবুল কাশেমের বাড়িতে প্রতিদিন শত শত মানুষের আনাগোণা ক্রমশ বাড়ছে। দেশীয় জাতের গরুর একটি খর্বাকৃতির বাছুর দেখতে এসব মানুষের আনাগোনা দেখা দিয়েছে।

আবুল কাশেমের একমাত্র শিশু ছেলে আদর করে এর নাম দিয়েছে “টুনটুনি”। এটি তাদের বাড়ির একটি মা’ গাভীর জন্ম দেওয়া ৯ম স্ত্রী বাছুর। এর আগে মা গাভীটি আরও আটটি বাছুর জন্ম দেয়। সবগুলো বাছুর হৃষ্পুষ্ট হলেও শেষ বাছুরটি খর্বাকৃতির হয়। ১৩ মাস আগে জন্ম নেওয়া বাছুরটির ওজন ছিল দেড় থেকে দুই কেজি। বর্তমানে এর ওজন ২৩ কেজি এবং উচ্চতা ২২ ইঞ্চি।

কৃষক আবুল কাশেম জানান, কৃষির মাধ্যমেই তার জীবিকা শুরু হয়। গত প্রায় ২০ বছর যাবত তিনি কৃষির পাশাপাশি দেশী জাতের গরু লালন-পালন করে আসছেন। বাছুরটির মা গাভী তার ভাগ্য পরিবর্তন করে দিয়েছে বলে মনে করেন তিনি। মা গাভীটি তার গরুর পালে আনার পর অন্য তিনটি গাভীও প্রতি বছর একটি করে বাছুর জন্ম দেয়। মা গাভীটির পেটে এখন আরেকটি বাচ্চা রয়েছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যে এটি বাচ্চা দিবে।

বাছুরটির জন্মের পর খরগোশের বাচ্চার মতো দেখা যায়। গাভীর দুধ স্পর্শ করতে পারত না। জন্মের পর থেকে বাছুরটি বাঁচবে কি না তা নিয়ে তারা হতাশায় ছিলেন। পাড়া-প্রতিবেশী খরগোশ আকৃতির বাছুরটি দেখতে অঅসা শুরু করে। এক মাসের মতো কোলে তুলে ধরে গাভীর দুধ খাওয়াতে হতো। কোলে তুলে খাওয়াতে গিয়ে বেশ কয়েকবার আমরা বিরক্ত হয়েছি। এক মাস পর বাছুরটি লাফিয়ে লাফিয়ে গাভীর দুধ খাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করে। ৬ মাস পর থেকে বাছুরটির বৃদ্ধি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

গৃহিণী জরিনা বেগম বলেন, বাছুরটি সারাদিন ঘাস, ভূষি, কুঁড়া, লবন খায়। আগে তেমন যত্ন করেননি। এখন যতটুকু এবং যা দেন ততটুকুই খেয়ে শেষ করে ফেলে। এটি জন্মের পর লালন-পালন করতে অনেক কষ্ট হয়েছে। কিছুদিন যাওয়ার পর বাছুরটির প্রতি মায়া লেগে গেছে। একমাত্র ছেলে সজীব বাছুরটি সাথে নিয়ে ঘুরে। গত এক মাস যাবত প্রতিদিন গড়ে দুই আড়াই’শ নারী-পুরুষ দর্শনার্থী বাছুরটি দেখতে আসে।

দর্শনার্থী স্থানীয় বাউনী গ্রামের মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এরকম একটা ছোট বাছুর দেখার জন্য অনেকের মতো তিনিও এসেছেন। এরকম বাছুর তিনি কখনো দেখেননি। প্রকৃতির মধ্যে আল্লাহর এমন সৃষ্টি সত্যিই দেখার মতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রতিবেশী শামসুন্নাহার বলেন, এমন গরু জীবনে দেখেননি। পাড়া-প্রতিবেশী, জনপ্রতিনিধি, ছাড়াও দূর দুরান্তের লোকজন প্রতিদিন বাছুরটি দেখতে আসে। আকৃতিতে ছোট হওয়ায় এটি বাছুর হিসেবেই পরিচিত। তবে ১৩ মাস হলে সেটি বাছুর থাকার কথা নয়। বাছুরের খাওয়া-দাওয়া সব ঠিক আছে। এটি আসলেই দেখার মতো একটি প্রাণী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD